হুজুরদের কি দোষ?

মাহমুদুল হাসান গুনবী যদি ‘জ ঙ্গি’ হয় তাহলে দুনিয়ার সব মুস লমানই জ ঙ্গি অথবা জ ঙ্গি ধর্মের অনুসারী! এখন পর্যন্ত যত জন ‘আলেম’ গ্রেফতার করা হয়েছে ‘উগ্রতা’ ছড়ানোর অভিযোগে তারা সকলে যদি জ ঙ্গি হয় তাহলে মাদ্রাসাগুলি সব জ ঙ্গিবাদ পড়ানোর স্কুল। আমাদের সময় এসেছে সত্যকে মেনে নেয়ার। এই গুনবী ‘শা’তিমে র সূল’ অর্থাত র সূলকে কটুক্তিকারীকে হত্যা করা জায়িজ বলে প্রচারণা চালিয়েছে। এই লোক প্রচলিত রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে বাতিল করে ‘ইস লামী খিলাফত’ প্রতিষ্ঠা করতে জি হাদ চালানোর জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে। গুনবী গণি মতের মাল, জিজিয়া কর, কা ফের মুশ রিকদের ইস লাম গ্রহণ অথবা হত্যাকে বেছে নেয়ার বাইরে কোন সুযোগ নেই বলেছেন। এসব বলার কারণে আমরা তাকে জ ঙ্গি বলছি। অথচ সে ইস লামের বিভিন্ন মাযহাবের মান্যবর ইমামদের বাইরে কিচ্ছু বলেননি। ইমাম আহমদ, মালিক রাহি, ইমাম আবু হানিফা, ইবনে তাইমিয়া, ইমাম আহমদ, ইমাম মালিক ও ইমাম শাফেয়ীদের মত ইমামরা এইসব কথাই বলে গেছেন। ইস লাম ধর্ম তো আপনি তাদের চাইতে বেশি জানেন না? ইস লামের প্রথম যুগের এইসব স্কলারদের চাইতে যদি আপনি বেশি ইসলাম বুঝেন তো বেশ, তাহলে মাদ্রাসাগুলিতে যে ইস লাম পড়ানো হয় তার কি হবে? গুনবী, মুফতি ইজহার কেন, এদের নাম ধরে ধরে লাভ নেই, আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়, ভারতের দেওবন্ধ মাদ্রাসায় ঠিক কি পড়ানো হয় তার দুটি সেম্পল দিচ্ছি দেখুন  জ ঙ্গিবাদ গাছে ধরে নাকি মাদ্রাসাতে ফলে-!

 

হাদিস-
وَعَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ بَدَّلَ دِينَهُ فَاقْتُلُوهُ».
‘রা সূল সা. বলেছেন- যে ব্যক্তি বিধর্মী হয়ে যাবে তাকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করো ৷’
_বুখারী ৷

 

হাদিস-
عن عروة بن محمد عن ” رجل ” من بلقين قال كان رجل يشتم النبي صلى الله عليه وآله وسلم فقال النبي صلى الله عليه وآله وسلم : من يكفيني عدوا لي ؟ فقال خالد بن الوليد : أنا فبعثه النبي صلى الله عليه وآله وسلم إليه فقتله .
‘অর্থাৎ এক ব্যক্তি রা সূল সা.কে গালাগালি করতো ৷ রা সূল সা. একদিন বললেন আমার শত্রুর জন্য আমার পক্ষ থেকে কে যথেষ্ট হবে ? তখন খালেদ বিন ওয়ালিদ রাযি. বললেন আমি ৷ তখন রাসূল সা. তাকে প্রেরণ করেন এং তিনি তাকে কতল করেন ৷’
_আল মুহাল্লা বিল আসার ৷
ইবনে হাযাম রাহি. এটাকে সহিহ বলেছেন ৷

 

তাহলে গুনবীর কি দোষ? এই লোকটি তো একদিন নিস্পাপ শিশু হয়েই জন্ম নিয়েছিলো। তারপর তাকে মাদ্রাসায় পাঠানো হলো আলেম হতে যাতে সে নিজের বাবা-মাসহ আত্মীয় স্বজনদের জা ন্নাতে নিতে পারেন। এখন সে যা বলছেন তার একটি কথাও ধর্মের বাইরে নয়। হতে পারে আপনি যে ইস লাম জানেন সেখানে এসব খুনোখুনি নেই। সেখানে শুধু শান্তি শান্তি আর। কিন্তু ইস লামী টেক্সবুকগুলিকে আপনি কি করে অস্বীকার করবেন? মাহযাব ও তাদের ইমামদের কি করে অস্বীকার করবেন? আপনি এখন কি করে অস্বীকার করবেন আপনার ধর্মে জ ঙ্গি বাদ নেই? আপনার জন্য আমার খারাপই লাগছে কারণ আপনি এখনো একটি ‘জ ঙ্গি ধর্মকে’ বিশ্বাস করছেন এবং সে ধর্মের অনুসারী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। কোন আত্মমর্যাদা সম্মন্ন মানুষের পক্ষে যা সম্ভব নয়…।

 

[সংগত কারণেই কিছু শব্দ স্পেস দিয়ে ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। আপনাদের পড়তে অসুবিধা হলে আমি দু:খিত]

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেসবুক পেজ

সাবস্ক্রাইব করুন

শেয়ার করুন

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on google
Google+
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit
Share on tumblr
Tumblr
Share on telegram
Telegram
Share on pocket
Pocket
Share on skype
Skype
Share on xing
XING
Share on stumbleupon
StumbleUpon
Share on mix
Mix